
পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি।
রাজবাড়ীর পাংশায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কবরস্থানে আগুন দেওয়ার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন, দুষ্কৃতিদের দ্রুত গ্রেফতার, দেশ জুড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর ও স্মৃতিচিহ্নে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী তুলেছে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তারাপুর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য নির্ধারিত কবরস্থান পরিবর্শনকালে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাক্ষাতের সময় এমন দাবী তোলে শিক্ষার্থীরা।
মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাক্ষাৎতের সময় উপস্থিত ছিলেন, রাজবাড়ী জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মো: রাসেদুল ইসলাম (রাশেদ), যুগ্ন আহবায়ক তুষার পাটোয়ারী, মো: রাফি হোসেন, সহ- মুখপাত্র ইমরান খান প্রমুখ।
এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মো: রাসেদুল ইসলাম (রাশেদ) বলেন, আমরা আজ স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে সাক্ষাৎ করেছি।আগামী কাল প্রশাসনের কাছে লিখিত ভাবে দাবী জানাবো। তিনি আরও বলেন,এই ঘটনা পরিকল্পিত ভাবে ঘটনা হয়েছে। আমরা চাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনবে।সেই সাথে দেশজুড়ে মুক্তিযোদ্ধাদের কবর ও স্মৃতিচিহ্নে নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবী তোলেন তারা।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজবাড়ী জেলা শাখার সহ মুখপাত্র ইমরান খান বলেন, এটি আমাদের জাতীয় ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আত্মমর্যাদার ওপর সরাসরি আঘাত। যারা এই ঘৃণ্য কাজ করেছে, তারা স্বাধীন বাংলাদেশের মৌলিক আদর্শকেই প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। আমরা মনে করি, এটি পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত — একটি চক্র উদ্দেশ্যমূলকভাবে সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চায়। আমরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
আমাদের দাবি, এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক এবং দোষীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। এটি শুধু বিচার নয়, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতি আমাদের ন্যূনতম দায়িত্ব।
এর আগে গত রবিবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার বাহাদুরপুর ইউনিয়নের তারাপুর কবরস্থানে মুক্তিযোদ্ধাদের কববের জন্য নির্ধারিত স্থানের সীমানা বেড়ায় আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।





